duzce escort istanbul escort istanbul escort istanbul escort antalya escort antalya escort bursa escort
You are Here: Home » News & Blog » গাড়ি কেনার আগে সতর্কতা – নতুন নাকি পুরাতন কোনটি ভাল

গাড়ি কেনার আগে সতর্কতা – নতুন নাকি পুরাতন কোনটি ভাল


ব্যক্তিগত গাড়ি সবার পছন্দের শীর্ষে থাকে। গাড়ি কিনতে গেলে গাড়ির সম্বন্ধে একটু ভাল ধারনা থাকা দরকার এতে গাড়ি কেনার এবং মেইন্টেনেন্সের সময় আপনার অনেক অর্থ সাশ্রয় হবে। বিভিন্ন কন্ডিশনের গাড়ি বাংলাদেশে পাওয়া যায় যেমন ব্র্যন্ড নিউ, শোরুম কন্ডিশন, এবং রিকন্ডিশন।

 

গাড়ির বর্তমান বাজার মূল্য সম্পর্কে ধারনা নিতে এখানে ভিজিট করুন

 

 

 ব্র্যান্ড নিউঃ যে গাড়িগুলো ফ্যাক্টরি থেকে সরাসরি আমাদের দেশে এসেছে এবং জিরো মাইলেজ সেই গাড়িগুলোকে ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি বলে।

 

 

রিকন্ডিশনঃ যে গাড়িগুলো জাপানে চলেছে কিন্তু বাংলাদেশে চলেনি এবং নতুন করে বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে সেগুলোকে রিকন্ডিশন বলে থাকে।

 

 

শোরুম কন্ডিশনঃ যে গাড়িগুলো বাংলাদেশে ব্যক্তি বা কোন কোম্পানির অধিনে ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু শোরুম বা বিক্রেতা কোম্পানি প্রয়োজনীয় সারভিসিং করে বিক্রি করছে সেই গাড়ীগুলোকে শোরুম কন্ডিশন বলে।

 

পুরাতনঃ  যে গাড়িগুলো বাংলাদেশে ব্যক্তি বা কোন কোম্পানির অধিনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সরাসরি বর্তমান মালিকের কাছ থেকে ক্রয় করা হয় সেগুলোকে পুরাতন গাড়ি নামে বলা হয়ে থাকে।

 

টয়োটা এবং অন্যান্য গাড়ীর মূল্য দেখতে এখানে ভিজিট করুন

 

** গাড়ি কেনার আগে অবশ্যই আপনার বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের বিভিন্ন দামের গাড়ি পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার বাজেট অনুযায়ী রিকন্ডিশনড বা নতুন গাড়ি কিনবেন সেটা নির্ভর করবে।

 

 

** বাজেটের পরেই থাকবে আপনি কোন ধরনের গাড়ি কিনবেন। আমাদের দেশে বিভিন্ন ব্যান্ডের গাড়ি পাওয়া যায়। বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত গাড়ির নাম টয়োটা। গাড়ি নির্মাতা এই প্রতিষ্ঠানের পরেই রয়েছে হোন্ডা। এ ছাড়া নিশান, মাজদা, মিতশুবিশিসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় জাপানি গাড়ি নির্মাতা-প্রতিষ্ঠানের গাড়ি জনপ্রিয়। এই সব গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর বিভিন্ন মডেলের গাড়ি বাজারে ছাড়ে। তাই আপনাকে অবশ্যই ব্যান্ড মডেলটি পছন্দ করতে হবে।

 

 

** গাড়ি কেনার আগে অবশ্যই গাড়ির কত সিসি সেটা দেখতে হবে কারন সিসির উপরেই গাড়ির দাম নির্ভর করে। বাংলাদেশে ৮০০ সিসি থেকে ২২০০+ সিসির গাড়ি পাওয়া যায়। যে গাড়ির সিসি যতো বেশি সেই গাড়ির দাম ততো বেশি। তাই অবশ্যই গাড়ির সিসি লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনাকে যদি লং ড্রাইভ বেশি করতে হয় তবে অবশ্যই ১৫০০ সিসি বা বেশি গাড়ি কিনলেই ভালো। তবে বাজেট গাড়ী ক্রেতাদের ১৫০০ সিসির উপর না কেনাই ভাল কারণ বাৎসরিক ফি এবং মালিকানা পরিবর্তনের খরচ অনেক বেশি হবে। যেমন ১৫০০ এবং ১৬০০ সিসির মধ্যে ফিটনেস ফির পার্থক্য হল প্রায় দিগুণ।

 

 

** যদি আপনি ব্যবহৃত গাড়ি কিনেন সেই ক্ষেত্রে ইঞ্জিন কাভার খুলে দেখবেন কোথাও কোনো জায়গায় তেলে ভেজা স্যাঁত স্যাঁতে কিনা অথবা পানি পড়ে শুকিয়ে যাবার দাগ আছে কিনা লক্ষ্য করবেন। তেল এ ভেজা স্যাঁত স্যাঁতে হলে কোথাও থেকে অয়েল লিক করছে, যা গাড়ির জন্য ভালো না। আর পানি পড়ার অর্থ হচ্ছে ইঞ্জিন এর কুলিং ওয়াটার লিক, যা ইঞ্জিনের জন্য খুবিই খারাপ। তাই একটি গাড়ি কেনার আগে আপানাকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। তবে একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিন মিস্ত্র্যি সাথে নিয়ে গেলে ভাল হয়। ইএফআই ইঞ্জিন থেকে ভিভিটিআই ইঞ্জিন অনেক ভাল। ইএফআই ইঞ্জিনর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং দাম অনেক বেশি কারণ পুরাতন প্রযুক্তি। আর ইঞ্জিন অয়েল বা মোবিল চেক করবেন যদি দেখেন একদম কাল তবে ইঞ্জিন যতই ভাল হোক কিনবেন না কারণ আপনই ইঞ্জিনর ত্রুটি সহজে ধরতে পারবেন না।

 

 

** গাড়ী কিনার সময় গাড়ির ফিটনেস, ট্যাক্স পেপার কত দিন বাকি আছে তা ভাল করে দেখে নিবেন। আর ব্লুবুকের সাথে গাড়ীর কালার মিল আছে কিনা এবং ইঞ্জিন / চেসিস নাম্বার অবশ্যই মিলিয়ে নিবেন।

 

 

** গাড়ীর এসি ঠিক আছে কিনা ভাল করে  পরীক্ষা করবেন। কারণ এসির কাজ অনেক বায়বহুল এবং অনেকেই তা প্রথমে গুরুত্ব দেয় না। ভাল হয় গরমের সময় দুপুর বেলা যখন রোদ অনেক বেশি থাকে তখন পরীক্ষা করবেন। এসির সম্পূর্ণ কাজ করাতে হলে ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ খরচ হয়।

 

 

** গাড়ীর টায়ার ৪টা ঠিক আছে কিনা ভাল করে দেখে নিবেন তা না হলে কিছুদিন পর আপনাকে টায়ার পরিবর্তন করতে হবে এবং প্রায় ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ খরচ হবে। তাছাড়া স্পেয়ার টায়ার এবং টুলস আছে কিনা দেখে নিবেন।

 

 

** গাড়ির কোন এক্সিডেন্ট রেকর্ড আছে কিনে দেখবেন কগজে নয় ম্যানুয়ালি ভাল করে পরীক্ষা করবেন। তবে এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। এক্সিডেন্ট বা লুকানো ডেমেজ থাকলে গাড়ির দাম অনেক কমে যায়।

 

** গাড়ি পুরাতন এবং নতুন দুটোই ভাল। যদি পুরাতন গাড়ী কেনেন তবে সময় কিছু বেশি দিতে হয় আর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে কোন সমস্যা হয় না। উল্লেখযোগ্য বিষয়, পুরাতন গাড়ির দাম সহজে কমে না অর্থাৎ পরে প্রায় একই দামে বিক্রি করা যায় আর নতুন গাড়ির দাম ৩-৪ বছর পরে অনেক কমে যায়। তবে নতুন গাড়ি প্রথমে আপনাকে অনেক ভাল সার্ভিস দিবে।

 

** এছাড়া সিট কভার এবং অন্যান্য জিনিয ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন।

 

 

গাড়ীর দামের উপর বিডিস্টল থেকে ধারনা নিন এবং নিজের এবং পরিবারকে সুন্দর গাড়ী উপহার দিন।

 

 



Source link